শুক্রবার, ২৪ Jul ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদন>>খবরটি বেরিয়েছিল ৩ জানুয়ারি সমকালের ভেতরের পৃষ্ঠায়। হয়তো খবরটি অনেকেরই নজরে পড়েনি। বিশ্বের শীর্ষ ধনী ও ইলেকট্র্রনিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা এবং মহাকাশ সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক বিশ্বের তরুণ সমাজকে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষক লেক্স ফ্রিডম্যান তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, বড় কিছু করতে চান, এমন তরুণদের কী পরামর্শ দেবেন? উত্তরে ইলন মাস্ক বলেছেন, ‘বেশি বেশি বই পড়তে হবে, আর নেতা হওয়ার প্রবণতা থেকে দূরে থাকতে হবে।
মানুষের কাজে লাগে এমন কিছু করার চেষ্টা করতে হবে।তবে তিনি এও বলেছেন, মানুষের কাজে লাগবে এমন কিছু করা অবশ্য খুব কঠিন।ইলন মাস্কের এ পরামর্শ বিশ্বের অন্য দেশের তরুণরা কীভাবে নেবে, জানা নেই। তবে আমাদের দেশের তরুণরা তা খুব একটা খুশি মনে গ্রহণ করবে বলে মনে হয় না।
বিশেষ করে যারা ইতোমধ্যে নেতা হওয়ার বাসনায় জীবনের অন্য সব লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ছুড়ে ফেলে ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়াতে শুরু করেছেন, তারা তো নয়ই। আমাদের দেশে নেতা হওয়ার আকাঙ্ক্ষা কমবেশি প্রায় সবার মধ্যেই রয়েছে। তাই যে যেভাবে পারে নেতা হওয়ার ইঁদুর দৌড়ে শামিল হচ্ছে। সমাজের প্রায় সর্বক্ষেত্রে নেতা হওয়ার এ তীব্র প্রতিযোগিতা দৃশ্যমান।
সে পাড়া-মহল্লার সংঘ-ক্লাব, স্কুল-কলেজ কিংবা অন্য কোনো পরিচালনা কমিটি যা-ই হোক, নেতৃস্থানীয় একটি পদ বাগিয়ে নেওয়ার জন্য এক শ্রেণির মানুষের পেরেশানির অন্ত নেই। ‘পদ’ যেন এক সোনার হরিণ। ‘তোরা যে যা বলিস ভাই, আমার সোনার হরিণ চাই’- কবিগুরুর কালজয়ী এ গানের কলি যেন আমাদের সমাজে কতিপয় মানুষের নেতা হওয়ার উদগ্র বাসনায় দেদীপ্যমান। যোগ্যতা থাক বা না থাক, পদ একটা বাগাতেই হবে। সে জন্য টাকা-পয়সা, ধনদৌলত যা কিছু দরকার; অকাতরে বিলিয়ে দিতে এমন ব্যক্তিরা কার্পণ্য করে না।